“সন্ত্রাস” কখনো কখনো নিজেই একটা ভাষা।

একবাল আহমেদ, এডোয়ার্ড সাইদ, দেরিদা এবং চমস্কি “সন্ত্রাস” বিষয়টা নিয়ে চমৎকার কিছু আলাপ করেছেন। তাঁরা একটা খুব কৌতূহল উদ্দীপক বিষয় বলেছেন। তাঁরা বলেছেন, “সন্ত্রাস” কখনো কখনো নিজেই একটা ভাষা। সেটা আবার কিরকম?

রাষ্ট্র ও সমাজ যখন কোন গোষ্ঠীর কণ্ঠস্বরকে মুছে দেয় বা দেবার চেষ্টা করে তখন সে তাঁর উপস্থিতি জানান দেয়ার জন্য নতুন ভাষা আবিস্কার করে, সন্ত্রাস ও সেই রকম একটা ভাষা। সে কখনো কখনো সন্ত্রাসের মাধ্যমে নিজের হাজিরার জানান দেয়।

তাই যে কোন সন্ত্রাসের ঘটনার থেকে রক্ষাকবচ হচ্ছে সেখানে অবদমনের কোন ইস্যু আছে কিনা সেটা খুজে বের করে দূর করা। কোন কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করে দেয়া হচ্ছে নাকি সেটা খুজে বের করা। তাহলেই সন্ত্রাস বন্ধ হয়ে ডায়ালগের শর্ত তৈরি হবে।

আজকে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীরা যেভাবে দুইদিকেই দোষ দিয়ে ছাত্র হত্যার নিন্দা আর বাদ্যযন্ত্র ভাঙ্গার নিন্দা জানিয়ে দায় সারছেন, তাঁরা কি একবারও প্রশ্ন তুলেছেন, কোন কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করা হয়েছে কিনা? কারো উপস্থিতিকে মুছে দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে কিনা? যার কারণে নতুন ভাষা সৃষ্টি হচ্ছে তাঁদের উপস্থিতির জানান দেয়ার জন্য যাকে আপনারা “তাণ্ডব” বলে চিহ্নিত করছেন।

Share

One Response

  1. দাদা এখন নিয়মিত আপনার সাইট ভিজিট করি আপনাকে পড়ি

Leave a Reply to Norul Kabir Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter