Mobil uyumlu arayüzüyle bahsegel her cihazda mükemmel performans gösterir.

Bahis dünyasında istikrarın adı bahsegel olmuştur.

Kullanıcıların hızlı erişim için en çok tercih ettiği yol bahis siteleri sayfasıdır.

Adres engellemelerini aşmak için Bahsegel kritik önem taşıyor.

বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে ভারতের সরাসরি হস্তক্ষেপ!

গর্গ চ্যাটার্জি Sheikh Hasina’s visit to India: How China is a major factor in the new Indo-Bangladesh equation শিরোনামে একটা লেখা লিখেছেন কয়েকদিন আগে। আমি লেখাটি পড়ছিলাম।

পুরো লেখাটি চাইলে কেউ পড়ে দেখতে পারেন। গর্গ যেভাবে সাম্প্রতিক বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে দেখতে চায় তার মধ্যে মারাত্মক একটা ভ্রান্তি আছে। এই ভ্রান্তির উপরে দাঁড়িয়ে যেকোন এনালাইসিস ভ্রান্ত হতে বাধ্য। আসুন দেখি সেই ভ্রান্তিটা কী?

ভারত সরকার এবং তার আমলাতন্ত্র প্রতক্ষ্যভাবে বাংলাদেশের গত 2014 সালের সংসদ নির্বাচনে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে। ভারতের বিদেশ সচীব সুজাতা সিং বাংলাদেশ সফরে এসে এরশাদের সাথে বৈঠক করেছিলেন। বৈঠক শেষে এরশাদ নিজেই বলেছিলেন নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য সুজাতা তাকে চাপ দিয়েছেন এবং বলেছেন এরশাদকে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। তা না হলে বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় আসবে। এরশাদ ঐ বৈঠক শেষ করেই সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথাগুলো বলেন। এর দু’ঘণ্টা পর সুজাতার সাংবাদিক সম্মেলন ছিল। সেখানে তিনি এরশাদের বক্তব্য অস্বীকার করেননি। একটা বিদেশী রাষ্ট্রের অন্য রাষ্ট্রের রাজনীতিতে এই নির্লজ্জ হস্তক্ষেপের নজির আর নেই।

এই ভারত সরকার বাংলাদেশের জনগণকে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে এভাবে রাষ্ট্রীয় হস্তেক্ষেপ করে। নির্বাচন ও ক্ষমতা গ্রহণের যে লিবারেল পলিটিক্যাল ঐতিহ্য, সেই ঐতিহ্য ভারত রাষ্ট্রের নিজেরও আছে এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মানে। নিজেকে দুনিয়ার সর্ববৃহৎ ডেমোক্রেসির দেশ বলে গর্ব করে সেই বাংলাদেশ লিবারিয়েলিজম নষ্ট করে দিয়েছে। বাংলাদেশে এখন নির্বাচন ছাড়াও ক্ষমতা তৈরি করা যায়। বাংলাদেশে ‘দেশ বেচার’ যেই আওয়াজ পলিটিক্যাল ডিসকোর্সে উচ্চকিত হয়েছে সেটার মুখ্য কারণ এটাই। এই কারণেই বলা হয় বাংলাদেশের সার্বোভৌমত্ব বিপন্ন।

এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে ভারতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরকে আর চিরাচরিত ফ্রেমে বিচার করা চলে না। এটাকে বিচার করতে হবে এমন একটা দেশের প্রধানমন্ত্রীর সফর হিসেবে, যেই দেশের রাজনীতিকে ভোটের মতো সর্বোচ্চ পলিটিক্যাল ইন্সট্রুমেন্টকে যেই রাষ্ট্র ধ্বংস করেও ক্ষমতাসীনদের টিকিয়ে রেখেছে সেই শাসকের সফর হিসেবে। বাংলাদেশে ‘লিবারিয়েলিজম’ রাজনীতির ধারা নষ্ট করার কাফফারা একদিন সুদে-মূলে চুকাতে হবে ভারতকে।

ভারতের কোন একাদেমিক যারা যারা এটাকে উপেক্ষা করছেন, ‘নিজ জাতীয়তাবাদী’ স্বার্থে সব জায়েজ করছেন ভাবছেন মূল্য তাদেরকেও চুকাতে হবে, কেউ বাদ যাবে না। রাজনীতি সশস্ত্রতায় ঢুকে যাবার আর ভারতেও তা ছড়িয়ে যাবার সম্ভাবনাসহ- সব কিছুর দায়।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter