পশ্চিমা সভ্যতার ভিত তৈরী করেছে খ্রিস্টধর্ম।

হান্টিংটন তাঁর ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশন বইয়ে পাশ্চাত্ত্য সভ্যতার মুল কোর হিসেবে আটটি বৈশিষ্ট্যকে চিহ্নিত করেছেন।

১/ গ্রীক দর্শন, যুক্তিবাদ, রোমান আইন, ল্যাটিন ভাষা ও খ্রিস্ট ধর্মের ক্লাসিক্যাল উত্তরাধিকার।
২/ ক্যাথলিক ও প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ।
৩/ ইউরোপীয় ভাষা
৪/ আধ্যাত্মিক ও জাগতিক কর্তৃত্বে বিভেদ; যেটাকে আমরা স্যেকুলারিজম বলে জানি।
৫/ আইনের শাসন।
৬/ সামাজিক বহুত্ব।
৭/ প্রতিনিধি সঙ্ঘ।
৮/ ব্যক্তিবাদ

সবচেয়ে কৌতূহল উদ্দীপক কথা বলেছেন উনি দুই নম্বর পয়েন্টে। তিনি লিখেছেন।

“Western Christianity, first Catholicism and then Catholicism and Protestantism, is historically the single most important characteristic of Western civilization. During most of its first millennium, indeed, what is now known as Western civilization was called Western Christendom; there existed a well-developed sense of community among Western Christian peoples that they were distinct from Turks, Moors, Byzantines, and others; and it was for God as well as gold that Westerners went out to conquer the world in the sixteenth century.”

“পাশ্চাত্যের খ্রিস্টানধর্ম, প্রথমে ক্যাথোলিক এবং পরে ক্যাথোলিক ও প্রটেস্ট্যান্ট মতবাদ পাশ্চাত্ত্য সভ্যতার একমাত্র ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় বহন করে। এই সভ্যতা প্রথম একহাজার বছরের বেশীরভাগ সময় খ্রিস্টানজগত নামেই সমধিক পরিচিত ছিল। তখন পশ্চিমা খ্রিষ্টানদের মধ্যে এক উন্নত সাম্প্রদায়িক বোধ জাগ্রত হয়। তারা তুর্কি, মূর, বাইজেন্টাইন ও অন্যান্যদের চেয়ে নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় বহন করে। এই সঙ্গে সৌভাগ্যক্রমে তাদের সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হয়, তারা ষোল শতকে সম্পদ আহরণের লক্ষ্যে বিশ্বজয়ে বেরিয়ে পড়ে।”

খেয়াল করেন “উন্নত সাম্প্রদায়িক বোধ” এবং “খ্রিস্ট ধর্ম” দুটোই পশ্চিমের সভ্যতার ভিত। শুধু ধর্মের জোব্বা পড়ে আসে নাই জন্য আমরা সেটাকে আর “ধর্ম” বা “সাম্প্রদায়িকতা” কোনটা বলেই চিনতে পারিনা।

Share

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter