“ধর্ম যার যার উৎসব সবার।”

“ধর্ম যার যার উৎসব সবার।”

এই বাক্যটি আবিষ্কার করেছে বাংলাদেশের স্যেকুলারপন্থিরা। এই বাক্যটির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হচ্ছে, এই সেকুলারপন্থিরা ধরে নিয়েছেন, এই বিশেষ দিনগুলিতে “ধর্ম” আর “উৎসব” বলে দুটো আলাদা পর্ব আছে। এবং এই পর্ব দুটো পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত নয়।

দ্বিতীয় দুর্বলতা হচ্ছে এই বিশেষ দিনগুলোকে উৎসবের তকমা সকল ধর্ম দেয় কিনা সেটা জানা না থাকা। মুসলমানদের ধর্মীয় পরবগুলোর বা দিনগুলোর সাথে পশ্চিমা উৎসবের ধারণা যায়না।

আর তৃতীয় দুর্বলতা হচ্ছে, সেকুলারপন্থিরা যেভাবে চরিত্রগত ভাবে যেই রাস্ট্রধারনা সেকুলার তার সামনে অনাবশ্যকভাবে সেকুলার শব্দটা বসিয়ে চালাকির পরিচয় দিয়েছে, সেভাবেই এই সেকুলার ঘরানার বাইরের সকলেই তাদের প্রস্তাবিত ধর্ম সম্পর্কিত যেকোন ধারণাকেই সন্দেহের চোখে দেখে।

তবে হ্যা, ধর্মীয় পরবের সাথে সামাজিকতার অংশ যুক্ত হয়ে থাকে সেই সামাজিকতা মানে উৎসব নয়। সামাজিকতায় অংশ নিতে কেউ কখনো আপত্তি করেছে বলে জানা নেই।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Feeling social? comment with facebook here!

Subscribe to
Newsletter