গতকাল জিয়াউর রহমানকে নিয়ে লেখায় কয়েকজন জিয়াউর রহমানকে “বঙ্গবন্ধুর খুনী” বলে অভিহিত করেছেন। বলাই বাহুল্য তাঁরা সরকারী দলের সমর্থক। অবশ্য আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে “বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের সাথে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন”।
এখানে আলোচকদের একটি সরল প্রশ্ন করতে চাই।
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় হয়েছে আদালতে; এমনকি কয়েকজন দণ্ডিতের ফাঁসিও কার্যকর হয়েছে। এই হত্যা মামলার নথি প্রকাশিত। সেই নথির কোথাও “জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন” এমন কোন কথা আছে কি? থাকলে এবিষয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ কী?
এবিষয়টি যদি আদালতে আলোচিত না হয় এবং আদালত তাঁর কোন সিদ্ধান্ত না দেয়। তাহলে আদালতে এই মীমাংসিত বিষয়ে নতুন করে কারো দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তোলার সুযোগ আছে কি? সেই আঙ্গুল তোলা নৈতিক কি? সেই আঙ্গুল তোলা আইনসঙ্গত কি?



2 Responses
মৃত বলে তাকে আসামী করা হয় নি বলেই জানি। বিবিসির সাথে কর্নেল ফারুকের ভিডিও সাক্ষাতকার কিন্তু ঘটনা সম্পর্কে তার জ্ঞাত থাকার প্রমান দেয়। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের চাকুরী দেওয়া, ফারুকের দেশে ফিরে বিভিন্ন হটকারী কাজ করার পর ও কিছু না করা, বরখাস্ত হবার পর ও ক্যান্টনমেন্টে, প্লে গ্রাউন্ডে ফারুক রশিদের উপস্থিতিতে জিয়ার অনুমোদন, পাকিস্তানে ফারুক রশিদের সাথে সখ্যতা এসব মুল্যহীন কি?
আওয়ামীলীগ সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য বলে প্রচার করাতে অভস্থ।