“ধর্ম মানুষে মানুষে বিচ্ছেদ ঘটায়” এইটা হইতেছে আমাদের স্যেকুলার নাস্তিক বামদের বুঝ। কারণ মানুষের ধর্ম আলাদা আলাদা। তাই তারা ধর্মের নির্বাসন চায়।
মানুষ তো ভাষা দিয়েও আলাদা। পৃথিবীতে যত ধর্ম আছে তার একশোগুন বেশী ভাষা আছে। আমরা তো তাদের কথাই বুঝিনা। তাইলে কি ভাষাও তুলে দিতে হবে?
এদের সমাজ, ইতিহাস, ধর্ম সম্পর্কে ধারণা এতো অপরিপক্ক যে এদের সাথে কথা বলাও এক যন্ত্রণা। এরা আসলে জানেই না ধর্মের কাজটা কী? ধর্ম আসলে কী নিয়া ডিল করে।
ধর্ম আসলে কী নিয়া ডিল করে?
ধর্ম আসলে দেখাইতে চায় আমরা কীভাবে একে অপরের সাথে কানেক্টেড। অন্য মানুষের সাথে বিশ্বপ্রকৃতির সাথে আমরা কীভাবে যুক্ত। ধর্মের প্রাইমারী সার্চ হইতেছে এই ঐক্যের সুত্রের সন্ধান দেয়া।
ধর্ম বলে আমরা আমাদের সৃষ্টিকর্তার মাধ্যমে কানেক্টেড। সকল সৃষ্টি তার রহমত। আমাদের এই দুনিয়ার কাজ হইতেছে সেই পরম শক্তির নৈকট্য লাভ করা। কোন ধর্মই দাবী করেনা যে অন্য ধর্মের মানুষের সৃষ্টিকর্তা আলাদা। বরং খুব বেশী হলে বলে যে, তার পরম শক্তিরে পাওয়ার যে তরিকা তা ঠিক নাই।
তাইলে ধর্মের কাজ বিচ্ছেদ ঘটানো না বরং ঐক্য সাধন করা।
বরং উল্টাভাবে মডার্নিজমের কাজ হইতেছে মানুষে মানুষে বিচ্ছেদ ঘটানো, প্রকৃতির সাথে বিচ্ছেদ ঘটানো, আর স্বার্থপর ব্যক্তি মানুষের উত্থান ঘটানো। যেই মানুষ আরেকজনের সাথে কানেক্টেড না। আরেক মানুষ তার স্বার্থ হাসিলের উপায় মাত্র। সে শুধু নিজেরে তার সৃষ্টিকর্তার থিকাই বিচ্ছিন্ন করলোনা, তারে অপর মানুষ আর প্রকৃতির কাছে থেকেও বিচ্ছিন্ন করলো। মার্ক্স বাবাজি এইটারে কইছিলেন এলিনিয়েশন বা বিচ্ছেদ আরো ভালো বাংলায় কইলে “বিরহ”। যা একান্তই তার নিজস্ব, তার থিকা কৃত্রিমভাবে দূরে থাকতে বাধ্য হওয়াই তো “বিরহ”।
মানুষ প্রজাতি হিসাবে এই বিরহ কাটাইবে। এই বিরহ কৃত্রিম।
বাংলাদেশের বাম স্যেকুলারেরা যদি এইটুকু বুঝে তাইলেই আমরা অনেকদুর আগায়ে যাইতে পারবো।



2 Responses
wonderful…
Mashallah khub sundor vabe likhechen. amar vai apnar somporke amake janai. apnar 1 ta boi pore aro akta boi porar agroho jage. 1 jon
Navy sailor hoyeo onek moddhe thekeo gean lav er ashai apnar boi pori r baki sobaike seta share kori. Allah apnake onek din baciye rakhuk. apnar kache onek kichu janar and shikhar ache. Allah apnake rohomot dan koruk. Amin.