পাশ্চাত্য সভ্যতা কোন আধুনিক ধর্মের জন্ম দিতে পারেনি। ধর্মের জন্ম প্রাচ্যে। আমাদের চিন্তা সেই কারনেই ধর্মাশ্রয়ী। আমাদের সংগ্রামও ধর্মকে আশ্রয় করে বেড়ে উঠেছে। প্রাচ্যে ঐতিহাসিকভাবে রাষ্ট্র ধর্মকে আশ্রয় করে নিপীড়ক হয়ে ওঠেনি। বরং ধর্ম এসেছে মুক্তিদাতা হিসেবে।
ইউরোপে যেই ঐতিহাসিক কারণে রাষ্ট্র ও ধর্মকে আলাদা করতে হয়েছিল সেই বৈষয়িক শর্ত ভারতবর্ষে ছিল না। ইউরোপের এনলাইটেনমেন্টের উপজাত স্যেকুলারিজমকে রেডিমেড প্রয়োগ করতে গিয়েই উপমহাদেশের রাজনীতিবিদরা লেজে গোবরে করে ফেলেছেন। এতে স্যেকুলারিজম সমাজের সংকট মোচনের চাইতে আরো গভীর সামাজিক সংকট সৃষ্টি করেছে। সাব অল্ট্রান স্কুলের মতে ভারতবর্ষে স্যেকুলারিজম ফেইল করেছে। ভারতবর্ষে স্যেকুলারিজম মানে হয়ে উঠেছে সংখ্যালঘু তোষণ। এই তোষণ সংখ্যালঘুকে শক্তিমান করেনি, মুক্তি দেয়নি বরং জনগোষ্ঠী হিসেবে আরো দুর্বল ও ভালনারেবল করেছে।
এই আলোচনাটা অস্বস্তিকর বিশেষ করে যারা নিজেদের স্যেকুলার দাবী করে তাঁদের। তবে এই আলোচনা শুরু করতেই হবে, নইলে নতুন পথ খুজে নেয়ার কাজটা অগ্রসর করা যাবেনা। আর এই কাজটা শুরু করতে হবে স্যেকুলারদেরকেই।
লেখাটির ফেইসবুক ভার্সন পড়তে চাইলে এইখানে ক্লিক করুন


