Mobil uyumlu arayüzüyle bahsegel her cihazda mükemmel performans gösterir.
Bahis dünyasında istikrarın adı bahsegel olmuştur.
Kullanıcıların hızlı erişim için en çok tercih ettiği yol bahis siteleri sayfasıdır.
Adres engellemelerini aşmak için Bahsegel kritik önem taşıyor.
যারা শিল্পকলার ছাত্র নন, প্রথাগত শিল্পবোদ্ধা নন, তাঁদের জন্য পেইন্টিং নিয়ে এই বই। পেইন্টিঙের প্রধান প্রধান ধারা, চিত্রকলার নানা আন্দোলন, কাল, পর্ব নিয়ে সরল ভাষায় মনোহর ভঙ্গিতে আলাপ করা হয়েছে বইটিতে। কখনো এসেছে সমাজ, রাজনীতি, দর্শন সামাজিক দ্বন্দ্ব। সবকিছুর মধ্যে পেইন্টিংকে বসিয়ে শিল্পরস ব্যাখ্যা করেছেন লেখক। এই ব্যাখ্যা চূড়ান্ত নয়, শিল্পের ক্ষেত্রে তা হতেও পারেনা। কিন্তু একটা ব্যাখ্যাতো বটেই। পৃথিবীর ইতিহাসে যেই পেইন্টিংগুলো কালকে অতিক্রম করেছে, ক্লাসিকের মর্যাদা পেয়েছে, তার অধিকাংশই এখানে আলাপ করা হয়েছে।বইটি এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতোই।
প্রকাশক: বাতিঘর
মূল্য: 400 টাকা।
বইটা কিনতে হলে এখানে ক্লিক করুন।
১. বুক রিভিউ: ‘‘মন ভ্রমরের কাজল পাখায়’’।
আমার ছোটবেলা থেকেই ছবির প্রতি বিশেষ আগ্রহ। পাঠ্য বইয়ের বিভিন্ন ছবির দিকে মুগ্ধ দৃষ্টি মেলে চলে যেতাম দূরদূরান্তে। একটু আধটু আঁকার নেশাও পেয়ে বসেছিল সেসময়। সেই আকর্ষণ কী করে যেন অতলান্তিকের তলদেশে! গেল বছর, মেডেচি পরিবার (Medici Family) নিয়ে ডকুমেন্টারি দেখতে গেলে আফিম জগতটা আবার উন্মোচিত হয়ে পড়ে। ছুটতে থাকি মিকেলেঞ্জেলো, বাত্তিচেলী, লিওনার্দোর পেছন পেছন।
এরপর ঢুকে যাই, সিস্টিন চ্যাপেলে।
মূলত সিস্টিন চ্যাপেলই আমার নেশাটাকে পুনরায় জাগিয়ে তোলে। তখন একটি বইয়ের প্রয়োজনীয়তাও অনুভব করেছি তীব্রভাবে। একটা বই যার মধ্যে থাকবে বিখ্যাত সব পেইন্টিং এবং জানা যাবে ইতিহাসটাও। আসলে নেটে ছবি দেখে দেখে বই পড়তে কেমন যেন অস্বস্তি লাগে। মনে হয়, অনেকদূরের নক্ষত্র। এদিক থেকে বইয়ের শব্দকে ছোঁয়া যায়, যেন লেখকের সান্নিধ্য খুব স্পষ্ট। গভীর এক বন্ধন।
একদিন হঠাৎ চোখে পড়ে, পিনাকী ভট্টাচার্যের “মন ভ্রমরের কাজল পাখায়” বইটির বিজ্ঞাপন। এরপর থেকে বইটির জন্য অধীর হয়ে অপেক্ষা করা। কিন্তু মেলার দ্বিতীয় দিন বাতিঘরে খোঁজ করেও বইটি সংগ্রহ করতে পারিনি।
প্রতিবার দেশের বাইরে গেলে আমার সর্বক্ষণের সঙ্গী হিসেবে থাকে একটি কিংবা দু’টি বই। সেই ইচ্ছেতেই বইটির অনুসন্ধান করা। তবে বইটি কেনার পূর্বে ভেবেছিলাম, কাঠখোট্টা টাইপের কিছু হবে। একটি বই যতই ঋদ্ধ হোক না কেন সাবলীলতা না থাকলে পড়ার আগ্রহ থেমে যায়। এক সপ্তাহ আগে বইটি হাতে পাওয়ার পর থেকে একরকম গ্রোগ্রাসে গিলতে বাধ্য হয়েছি। আর পড়তে যেয়ে কোথাও থেমে থাকতে হয়নি। হোঁচটও খেতে হয়নি। নদীর মত স্বতঃস্ফুর্ত গতিধারা।
ইম্প্রেসানিজমের একটি ছবি, “ক্লিফ ওয়াক এট পুহোভিল্লে”। প্রথম যেদিন ছবিটা গুগুলে দেখি সেদিন বিভ্রান্ত ছিলাম। একই ছবির অনেক কপি । কেউ না বললে ছবির পরিবর্তন আবিষ্কার করা অসম্ভব। পরে বইতে থেকে জেনেছি, ক্লড মনে দিনের বিভিন্ন সময়ের আলোর প্রভাবে একই বিষয় কেমন রূপ ধারণ করে সেটা এঁকেছেন। আবার সাভোনারোলাকে নিয়ে জানার ইচ্ছেও ছিল প্রচণ্ড। আসলে এটি অনেক প্রশ্নের উত্তর সম্বলিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বই। এই বই শুধু আর্টের জগত নয় যারা লেখালেখি করেন তাদের জগতকেও সমৃদ্ধ করবে ।
আবার প্রতিটি পেইন্টিংসের সাথে জড়িয়ে আছে ইতিহাস, সময়, সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতি এবং সময়কে ধরতে না পারলে অনেকক্ষেত্রেই জ্ঞান অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মর্ডানিজমকে জানার জন্য শুধু বিষয়ী নয় বিষয়কেও প্রয়োজন। সেই বিষয়টাকেই সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ তৃপ্ত হতে পারেন। অনেকসময় ভাষার জন্য লেখককে অপরিচিত মনে হয়। কিন্তু এ যেন পাশের বাড়ির খুব পরিচিত একজন, যিনি গল্প বলার ঢঙে ইতিহাস, ছবি সম্পর্কে একের পর এক মগ্নতা ঢুকিয়ে দিচ্ছেন পাঠকের নিউরনে।
কফি টেবল বুক কেনা যায় শুধুমাত্র কাউকে গিফট দেয়ার জন্যই। তবে দু:খের ব্যাপার হলো বাংলা ভাষায় ভালো কফি টেবল বুকের বড় অভাব। আর্ট পেপারে পাতায় পাতায় ছবিতে ভরা এই বইটি উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। সুখপাঠ্য ও সেইসাথে প্রয়োজনীয়ও।